ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ জাতীয় ]

ফের ১৫ দিনের জেলহাজতে পি কে হালদার

নিজস্ব প্রতিবেদক  
প্রকাশিত: ১৮:৪১, ৫ জুলাই ২০২২
ফের ১৫ দিনের জেলহাজতে পি কে হালদার
পি কে হালদার- ফাইল ফটো

১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে আবারো পি কে হালদারসহ অভিযুক্ত ছয়জনকে ১৫ দিনের জন্য জেলহাজতে পাঠিয়েছেন কলকাতার স্পেশাল সিবিআই কোর্ট-৩।

মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

গত ১৪ মে অশোকনগরসহ পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার কোট টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত পি কে হালদারসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

বাকি গ্রেফতারকৃতরা হলেন- পি কের ভাই প্রাণেশ হালদার, স্বপন মিস্ত্রি ওরফে স্বপন মৈত্র, উত্তম মিস্ত্রি ওরফে উত্তম মৈত্র, ইমাম হোসেন ওরফে ইমন হালদার ও আমানা সুলতানা ওরফে শর্মী হালদার।

এরই মধ্যেই পি কে হালদারসহ গ্রেফতারকৃত ছয়জনের বিরুদ্ধেই প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট বা অর্থপাচার সম্পর্কিত আইনে মামলা করা হয়েছে।

গত ২১ জুন গ্রেফতার করা সবাইকে বিশেষ সিবিআই কোর্ট-৩ এ তোলা হয়। সেখানে তাদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। মঙ্গলবার ৫ জুলাই জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে ফের তাদের আদালতে তোলা হয়। আদালত এর মধ্যে অভিযুক্তদের কয়েক দফায় ইডি রিমান্ড ও জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে তারা সবাই কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তাদের জেরা করে এরই মধ্যে উঠে এসেছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের একাধিক শহরে মিলেছে প্রচুর সম্পত্তির সন্ধান। সেইসঙ্গে তদন্তকারী কর্মকর্তারা ৮৮টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পেয়েছেন। আরো তথ্য বের করতে কারাগারে গিয়েও অভিযুক্তদের জেরা করছেন ইডির কর্মকর্তারা।

অপরদিকে, মামলায় পি কে হালদারের অন্যতম সহযোগী স্বপন মৈত্রের স্ত্রী পূর্ণিমা মৈত্রকে জেরা করেছে ইডির কর্মকর্তারা। গত বুধবার ইডির পূর্বাঞ্চলীয় কার্যালয় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে টানা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বাংলাদেশের দুদকের এজহারভুক্ত আসামি পূর্ণিমা মৈত্রকে জেরা করা হয়। তার পাসপোর্ট, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড, ইনকাম ট্যাক্স, ব্যাংকের পাস বই সম্পর্কিত নথি ও বারাসাতে থাকা তাদের একটি ফ্ল্যাটের প্রয়োজনীয় কাগজসহ একাধিক নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পি কে হালদারের বিরুদ্ধে আনা অর্থপাচারের অভিযোগের পূর্ণিমার কোনো রকম যোগসাজেশ আছে কি না, যদি থেকে থাকে তাহলে সেগুলো কোন পর্যায়ের, পূর্ণিমার নাগরিকত্ব ইত্যাদি বিষয় খতিয়ে দেখতে চায় ইডি কর্মকর্তারা। আগামী ৬ জুলাই তাকে ফের ইডির দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পূর্ণিমার পাশাপাশি অর্থপাচার সংক্রান্ত মামলায় ইডির কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হয়েছেন পি কে হালদারের আরেক সহযোগী সুকুমার মৃধার বড় মেয়ে অতসী মৃধা ও তার স্বামী সঞ্জীব হাওলাদার। গত সপ্তাহে তাদেরও আলাদাভাবে জেরা করেছে ইডি কর্মকর্তারা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকেএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!