সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞার এ সময়টাতে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের স্বার্থে মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। এদিকে নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে সাগরে নামার শেষ প্রস্তুতি এরই মধ্যে নিয়ে ফেলেছেন জেলেরা।
বৃহস্পতিবার নৌ-পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি শফিকুল ইসলাম বলেন, এবার মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এবারের অভিযানে ১২৭ কোটি কারেন্ট জাল, সাড়ে ৪২ হাজার কেজি ইলিশ মাছ, ৪০০ মামলা ও সাড়ে ৪ হাজার অসাধু জেলেকে আটক করা হয়েছে। প্রত্যাশা করি এ বছর ইলিশের উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পাবে।
.png)
অন্যদিকে মৌসুমজুড়েই ছিল কুয়াকাটা ও মহিপুর উপকূলীয় এলাকার জেলেদের জালে ইলিশের আকাল। ধরা পড়া মাছের অধিকাংশই ছিল আকারে ছোট। বৈরি আবহাওয়ার কারণে বেশ কয়েকবার বন্ধ ছিল মাছ ধরা। এরই মাঝে ২২ দিন বন্ধ রাখতে হয় ইলিশ ধরা।