ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

ভোটারদের আনন্দমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার আহ্বান সিইসির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০:৩৯, ৬ জানুয়ারি ২০২৪
ভোটারদের আনন্দমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার আহ্বান সিইসির
ছবি: বাসস

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও অস্বস্তি পরাভূত করে ভোটারদের নির্ভয়ে আনন্দমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে এসে অবাধে মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নাগরিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

শনিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ আহ্বান জানান তিনি।

সিইসি বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হয়েছে। এখন কেবল ভোটগ্রহণ শুরুর অপেক্ষা। অংশগ্রহণকারী সব প্রার্থী ও ভোটারকে নির্বাচন বিষয়ক বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হবে।

Advertisement

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদেরও আইন ও বিধি-বিধান প্রতিপালন ও প্রয়োগ করে সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনার সার্বিক বিষয়ে আরোপিত দায়িত্বপালন করতে হবে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা, শৈথিল্য, অসততা ও ব্যত্যয় সহ্য করা হবে না।

নির্বাচন বিষয়ক আইন ও বিধি-বিধান বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ভোটকেন্দ্রে পারিপার্শ্বিক শৃঙ্খলাসহ প্রার্থী, ভোটার, নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ সবার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। কোনো প্রার্থী বা প্রার্থীর পক্ষে জাল ভোট, ভোট কারচুপি, ব্যালট ছিনতাই, অর্থের লেনদেন ও পেশিশক্তির সম্ভাব্য ব্যবহার কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক প্রার্থিতা বাতিল করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনে কেন্দ্র বা নির্বাচনী এলাকার ভোটগ্রহণ সামগ্রিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। জনগণকেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে সবধরনের নির্বাচনী অনিয়ম- অনাচার প্রতিহত করার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ায় সবার সমন্বিত সহযোগিতার মাধ্যমেই নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হয়। রাজনৈতিক দলগুলো গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে কার্যকরভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে নির্বাচন অধিক পরিশুদ্ধ ও অর্থবহ হয়। এতে জনমতেরও শুদ্ধতর প্রতিফলন ঘটে। নির্বাচন প্রক্রিয়া ক্রমান্বয়ে সংহত ও টেকসই হয়। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির উৎকর্ষ সাধন হয়।

সিইসি আরো বলেন, এবারের নির্বাচনে ২৮টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। সর্বমোট ১৯৭০ জন প্রার্থী ২৯৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ফলে নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন ও অংশগ্রহণমূলক নয় মর্মে আখ্যায়িত করা যাবে না।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!