ধাপ- ১: নামের কার্ড
প্রত্যেকের নামের বানান সব জায়গায় সঠিক রাখার জন্য একটা কাগজে বড় করে হজযাত্রীর নাম বাংলা ও ইংরেজিতে (পাসপোর্টে যেভাবে নাম লেখা আছে সেই ভাবে) লিখে প্রিন্ট করে নিতে হবে। যেখানেই লেখার জন্য নাম জিজ্ঞাসা করা হবে, সেখানেই ওই লেখা কাগজটা ধরিয়ে দেবেন যেন লিখতে বা টাইপ করতে ভুল না হয়। এতে নাম সংক্রান্ত জটিলতা কমে যাবে ইনশাআল্লাহ! পাশাপাশি সঙ্গে (NID) ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি রাখতে হবে। যেকোনো এটি প্রয়োজন হতে পারে।
.png)
ধাপ- ২: হেলথ প্রোফাইল ডাউনলোড করা
(১) মোবাইল ফোন, কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ব্রাউজারে গিয়ে এ ওয়েবসাইটে যেতে হবে-https://prp.pilgrimdb.org/
(২) ‘অনুসন্ধান’ ট্যাব এ ক্লিক করুন।
(৩) এরপর ‘অনুসন্ধান’ লেবেলের পাশে টেক্সট বক্সে আপনার হজ ট্র্যাকিং নং লিখে ‘সার্চ আইকন’ (ম্যাগ্নিফায়িং গ্লাস) এ ক্লিক করুন।
(৪) ‘হেলথ প্রোফাইল’ বাটন এ ক্লিক করুন।
(৫) এরপর ‘জেনারেট হেলথ প্রোফাইল’ এ ক্লিক করুন।
(৬) হেলথ প্রোফাইল ডাউনলোড করুন।
(৭) হেলথ প্রোফাইল প্রিন্ট করুন।
এছাড়াও সরকারি হজের মোবাইল অ্যাপ থেকেও হেলথ প্রোফাইল প্রিন্ট করতে পারবেন।
ধাপ- ৩: ল্যাব টেস্ট
(১) আপনার আশপাশের পরিচিত যেকোনো হাসপাতাল থেকে হেলথ প্রোফাইলে উল্লেখিত ল্যাব টেস্টগুলো সম্পন্ন করতে পারেন। অনেক হাসপাতাল হাজিদের জন্য বিশেষ অফার দিচ্ছে সেগুলো চেক করে নিন।
(২) যদি গত ৩ মাসের মধ্যে এই মেডিক্যাল টেস্টগুলো আপনার করা হয়ে থাকে, তাহলে পুনরায় করা লাগবে না।
ধাপ- ৪: স্বাস্থ্য সনদ ও টিকা
(১) ঘোষণা অনুযায়ী হজ টিকা কার্যক্রম ৬ মে থেকে শুরু হয়েছে। তাই আপনার টেস্ট রিপোর্ট, হেলথ প্রোফাইল, কোভিড ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট নিয়ে সরকার নির্ধারিত হাসপাতালে গিয়ে টিকা গ্রহণ করুন।
(২) হেলথ প্রোফাইল আপনি পূরণ করবেন না; হাসপাতালের মেডিকেল অফিসারই আপনার হেলথ প্রোফাইল পূরণ করবে এবং তাদের কাছে রেখে দেবে। আপনারা মোবাইলে একটা ছবি তুলে রাখবেন। হাসপাতালের মেডিকেল অফিসাররা আপনার হেলথ প্রোফাইলটি সার্ভারেও আপলোড করে দেবে ।
বিশেষ দ্রষ্টব্য
(১) হজযাত্রীর মোবাইলের PID নম্বর উল্লেখ করে যে এসএমএস আসবে; সেখান থেকে যার যার ট্র্যাকিং নম্বর সংগ্রহ করতে পারবেন।
(২) সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের নিকটবর্তী রেজিস্ট্রেশন সেন্টার (ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জেলা কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ইউডিসি, হজ অফিস, আশকোনা) থেকে ই-হেলথ প্রোফাইল ফরম প্রিন্ট করে এবং নিবন্ধন সনদ সঙ্গে রাখতে হবে।
মনে রাখবেন, হজ যাত্রীদের বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের সময় স্বাস্থ্য পরীক্ষা রিপোর্ট ও টিকার সনদ সঙ্গে রাখতে হবে।