ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখে রাসূলুল্লাহ (সা.) যে দোয়া পড়তেন
মুসলিম বিশ্বে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে মাস গণনা শুরু হয়। আরবি (হিজরি) মাসের নতুন চাঁদ দেখলে বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দোয়া পড়তেন।
নতুন চাঁদ দেখে দোয়াটি পড়া বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সুন্নত।
আর শুধুমাত্র ঈদুল ফিতর বা শাওয়াল (شوال) মাসের নতুন চাঁদ দেখেই যে এ দোয়া পড়তে হবে এমন কিন্তু নয়; বরং আরবি হিজরি সনের প্রত্যেক মাসের নতুন চাঁদ দেখে এ দোয়া পড়া বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সুন্নত।
.png)
হাদিসে এসেছে- তালহা ইবনু ওবায়দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন বলতেন, اَللهُ اَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَ الْاِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَ الْاِسْلَامِ وَ التَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَ تَرْضَى رَبُّنَا وَ رَبُّكَ الله
উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াস্সালামাতি ওয়াল ইসলামি ওয়াত্তাওফিকি লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদা রাব্বুনা ওয়া রাব্বুকাল্লাহ’।
অর্থ: ‘আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদকে আমাদের নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় কর। আর তুমি যা ভালোবাস এবং যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও, সেটাই আমাদের তাওফিক দাও। আল্লাহ তোমাদের এবং আমাদের প্রতিপালক’। (তিরমিজি, মিশকাত)
উল্লেখ্য, আরবি হিজরি সনের ৯ম মাস রমজান (رمضان) এর পরের মাস; অর্থাৎ ১০ম মাস হলো শাওয়াল (شوال)।
আরবি ১২ মাসের নাম
(১) মুহররম (محرم)
(২) সফর (صفر)
(৩) রবিউল আউয়াল (ربيع الأول)
(৪) রবিউস সানি (ربيع الثاني)
(৫) জমাদিউল আউয়াল (جمادى الأولى)
(৬) জমাদিউস সানি (جمادى الثانية)
(৭) রজব (رجب)
(৮) শাবান (شعبان)
(৯) রমজান (رمضان)
(১০) শাওয়াল (شوال)
(১১) জিলকদ (ذو القعدة)
(১২) জিলহজ (ذو الحجة)
ইয়া আল্লাহ! সব মুসলিম উম্মাহকে প্রতি চন্দ্র মাসের নতুন চাঁদ দেখে উল্লেখিত দোয়া পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।