রোববার দুপুরের পর তাকে আদালতে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। আসাদুল ঘোড়াঘাট উপজেলার সাগরপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।
আরো পড়ুন: রিফাত হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিখণ্ডন ১৬ সেপ্টেম্বর
.png)
দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ওসি মো. ইমাম জাফর জানান, শনিবার সন্ধ্যায় আসাদুলকে ঘোড়াঘাট থানায় হস্তান্তর করে র্যাব। রাতেই পুলিশ জেলা ডিবির কাছে তাকে হস্তান্তর করে।
তিনি আরো জানান, ঘোড়াঘাটের ইউএনওর ওপর হামলার ঘটনায় শুক্রবার ভোরে র্যাব ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে হিলি থেকে প্রধান আসামি আসাদুলকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) ভর্তি করা হয়।
আরো পড়ুন: ঝাঁকে ঝাঁকে রূপালি ইলিশ
এর আগে বুধবার রাতে ঘোড়াঘাটে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে ঢুকে তার ও তার বাবার ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। উভয়েরই শরীর ও মাথায় আঘাত লেগেছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় বৃহস্পতিবার প্রথমে তাদের রংপুরের একটি বেসরকারি মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। পরে দুপুরে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়। তার বাবা রংপুরে চিকিৎসাধীন।
আরো পড়ুন: দিনাজপুরে মাদরাসাছাত্রকে নির্যাতনের পর হত্যা
পরে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তির পর বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৯টা থেকে সোয়া ১১টা পর্যন্ত ওয়াহিদা খানমের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।
এদিকে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় তার বড় ভাই শেখ ফরিদ উদ্দিন অজ্ঞাত ৪ থেকে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ঘোড়াঘাট থানায় তিনি এ মামলা করেন।