শুক্রবার দুপুরে উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখোলা সামাজিক কবরস্থান থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। অর্জুন পাত্রখোলা চা বাগান এলাকার মসজিদ লাইনের চা-শ্রমিক গোপাল মহালীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, পাত্রখোলা সামাজিক কবরস্থানে একটি আমগাছের গোড়ায় অর্জুনকে ঝুলতে দেখেন প্রতিবেশী কয়েকজন। পরে পুলিশে খবর দিলে লাশটি উদ্ধার করে।
.png)
নিহতের ভাবি স্বপ্না মহালী ও চাচাতো ভাই জাফর উল্যা মহালী বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি অর্জুন। শুক্রবার দুপুরে কবরস্থানের একটি গাছে তার লাশ ঝুলতে দেখে স্থানীয়রা।
তারা আরো বলেন, অর্জুন কখনো কবরস্থানে যেতেন না। তাহলে কীভাবে সেখানে তিনি আত্মহত্যা করবেন। তাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে আমরা মনে করি।
কমলগঞ্জ থানার ওসি ইয়ারদৌস হাসান বলেন, নিহতের পায়ে রক্তের ছাপ ও হাতের একটি আঙুলে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশটি উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।