নিহত গৃহবধূ তাড়াশ উপজেলার কুন্দইল গ্রামের মো. হাফিজুর রহমানের মেয়ে ও বিলহরিবাড়ী এলাকার মো. জামাল মোল্লার ছেলে সাগর আলীর স্ত্রী। এ ঘটনার পর থেকে শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন।
নিহত গৃহবধূ সুবর্ণার বাবা হাফিজুর রহমান জানান, দুই বছর আগে বিলহরিবাড়ী এলাকার জামাল মোল্লার ছেলে সাগর আলীর সঙ্গে তার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে নির্যাতন করে আসছিলো। কয়েকদিন আগেও মেয়ে তার স্বামীর বাড়িতে যেতে চায়নি। অনেক বুঝিয়ে শেষ বারের মত স্বামীর বাড়িতে মেয়েকে আবার পাঠান তিনি। আসার পর থেকেই নির্যাতিত হচ্ছিলো তার মেয়ে। বুধবার সকালে শ্বশুর বাড়ি থেকে তাকে জানানো হয় তার মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে। শোনার পরপরই মেয়েকে দেখতে আসেন তিনি। এসে দেখেন তার মেয়ের গলার ডান কাঁধ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে এবং গলায় গুরুত্বর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
.png)
জামাই সাগর আলী ও তার পরিবারের লোকজনের সহযোগিতায় মেয়ে সুবর্ণাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, নিহত গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহটি উদ্ধার করে নাটোর মর্গে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। সুরতহাল রিপোর্ট আসার পর মূল ঘটনা জানা যাবে।