মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তৃষিতপুরের সদস্যরা কেন্দুয়া পৌরশহরের আশ্ শাফা কিন্ডারগার্টেন স্কুল প্রাঙ্গণে ষাঁড় গরুটি জবাই করে সব গোশত উপজেলার ১৬৭ জন অসহায় মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দেন।
চলমান এই করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ গোশত বিতরণ করেন। এ সময় ইউএনও মইনউদ্দিন খন্দকারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
.png)
গোশত নিতে আসা ৬০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা বলেন, ‘আমার স্বামী নেই। সন্তানরা থেকেও আমার খোঁজ খবর নেয় না। ঈদে কোরবানি দেয়ার সামর্থ আমার নেই। মানুষের কাছে হাত পেতে যা পাই তা দিয়েই কোনো মতে জীবন চলছে। ভাবছিলাম করোনার জন্য এ বছর হয়তো কোনো গোশত খেতে পারব না। কিন্তু তৃষিতপুরের ছেলে আমারে ষাঁড় গরুর গোশত দিছে। এতে খুব খুশি হইছি।’
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তৃষিতপুরের সদস্য গালিব হাসান ইমন বলেন, মানবিক কিছু মানুষের সহযোগিতা এবং পরামর্শে আমরা সামাজিক, মানবিক ও সাংস্কৃতিক কাজগুলো করে যেতে প্রতিনিয়ত উৎসাহ পাচ্ছি। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা ঈদুল আজহা উপলক্ষে এলাকার ১৬৭ জন সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের মধ্যে ষাঁড় গরুর গোশত বিতরণ করেছি। আমরা যেন আরো নতুন কিছু এবং ভালো কিছু করতে পারি সে জন্য সবার সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।
কেন্দুয়ার ইউএনও মইনউদ্দিন খন্দকার বলেন, তৃষিতপুর প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এলাকায় তারা অনেক ভালো ভালো কাজ করছে। তাদের মানবিক কাজগুলো সত্যিই প্রশংসনীয়। তাদের প্রত্যেকটা ভালো কাজে উপজেলা প্রশাসন পাশে থাকবে।