এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে রাতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কাও করা হচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে। এই রিপোর্ট লেখার সময় মাতামুহুরী নদীর পানি ১৫-২০টি গ্রামে পানি প্রবেশ করছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন। এভাবে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে পাহাড়ি পানি নেমে আসতে থাকলে মধ্যরাতের পর গ্রামীণ সড়কগুলো পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
.png)
এদিকে লক্ষ্যারচর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কাইছার বলেন, আমার এলাকায় এখনো বন্যার পানি প্রবেশ করে করেনি। রাতে মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কৈয়ারবিল ইউপি চেয়ারম্যান মক্কি ইকবাল বলেন, মাতামুহুরী নদীর পানি ৫টি ওয়ার্ডের কিছু কিছু এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আরো এলাকা প্লাবিত হতে পারে।
চিরিংগা ইউপি চেয়ারম্যান জসীম উদ্দিন বলেন, এরই মধ্যে আমার এলাকায় মাতামুহুরী নদীর পানি ডুকতে শুরু করেছে। যেহেতু আমার এলাকায় মৎস্য ঘের বেশি। যদি রাতে ঢলের পানি পুরোদমে ডুকতে শুরু করে তবে মৎস্য ঘেরের ব্যাপক ক্ষতি হবে।
চকরিয়ার ইউএনও সৈয়দ শামসুল তাবরীজ কলেন, টানা বৃষ্টি ও মাতামুহুরীর নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন ইউপির জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে খোঁজখবর নিচ্ছি। এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এছাড়াও পাহাড়ে বসবাসরতদের সরিয়ে আনার জন্যও কাজ করছি।