হঠাৎ করে সরকারি ঘোষণার ফলে এবং সীমিত সময়ের জন্য লঞ্চ চলাচল শুরু হওয়ায় যাত্রীদের এমন চাপ ছিল।
যাত্রীরা বলছেন, ঈদে বাড়ি ফেরার পর কঠোর বিধিনিষেধে আটকা পড়েন তারা। তাই এখন একটু সুযোগ পাওয়ায় কর্মস্থলে ফিরে যাচ্ছেন।
অনেকেই চাকরিতে যোগদান এবং চিকিৎসা নিতেও যাচ্ছেন। বন্দর কর্মকর্তা ও বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালক কায়সারুল আলম জানান, যাত্রী ভোগান্তি কমাতে পর্যাপ্ত লঞ্চ চালু রাখার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
.png)