এ সময় সৈকতে একটি মৃত রাজ কাকরাও পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, ডলফিন দুটির শরীরে পচন ধরেছে। তবে গায়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাদের ধারণা জেলেদের জালে জড়িয়ে মাছ দুটির মৃত্যু হয়েছে।
.png)
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্য আবুল হোসেন রাজু জানান, প্রায় ৭ ফুট ও ৪ ফুট লম্বা মৃত ডলফিন দুটি জোয়ারের সঙ্গে সৈকতে ভেসে এসেছে । আমরা ডলফিন দুটি উদ্ধার করে মৎস্য কর্মকর্তার নির্দেশক্রমে নিরাপদ স্থানে মাটিচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছি।
পটুয়াখালী ইকোফিস টু ওয়াল্ডফিস বাংলাদেশের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, মৃত ডলফিন দুটির সন্ধান করে আমরা খুঁজে পেয়েছি। তবে প্রায় অর্ধগলিত অবস্থায়। নমুনা সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। এছাড়া ডলফিনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে তিনি জানান , নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে ডলফিন সমুদ্রে অবাধে খেলা করেছে। এখন ডলফিনের বড় সমস্যা খেলার সময় স্থানীয় জেলেদের খুঁটা জালে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কারণ ওরা জানে না যে অবরোধের পর স্থীরভাবে সাগরে জাল পাতা হয়েছে। এমনকি জেলেদের জালে খেলার সময় ডলফিন জড়িয়ে গেলে তা পিটিয়ে হত্যা করে সাগরে ফেলে দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, সৈকতে যে ইরাবতি ডলফিন দুটি ভেসে এসেছে দুটোই আলাদা একটি প্রজাতির ডলফিন। আর কাকরাটির নাম রাজ কাকরা। মূলত প্রজনন মৌসুমে এসব কাকরা তীরবর্তী এলাকায় আসে। তবে ডলফিনগুলোর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানাতে পারেননি।
গত ৭ ও ৯ আগস্ট কূয়াকাটা সৈকতে দুটি মৃত ডলফিন দেখতে পায় স্থানীয়রা। এর আগেও বেশ কয়েকটি ডলফিন সমুদ্র তীরে ভেসে আসে।