নোমান উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউপির আমোদপুর গ্রামের খোরশেদ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, শসা ক্ষেতের পোকা দমনের জন্য বাজার থেকে কীটনাশক এনে তার বাবা ঘরের এক কোণে রাখে। শনিবার সন্ধ্যার আগে কোনো একসময় খেলার ছলে পরিবারের অজান্তেই কীটনাশক খেয়ে ফেলে।
.png)
সন্ধ্যার পর যখন বমি করতে শুরু করে তখন বিষয়টি পরিবারের নজরে আসে। তৎক্ষণাৎ পরিবারের লোকজন নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। সেখানেই রাত একটার দিকে নোমানের মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে শিশুর চাচা হাবিব জানান,আমাদের পরিবারের পক্ষে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। যদিও এটি একটি দুর্ঘটনা। আমাদের পরিবারের লোকজন তার মৃত্যুতে খুবই মর্মাহত ও শোকে কাতর। ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পুলিশের ক্লিয়ারেন্স নিয়ে লাশ দাফনের জন্য বাড়িতে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার এসআই নিরুপম নাগ জানান, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।