ধামরাইয়ে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বংশী ও গাজীখালী নদী থেকে দীর্ঘদিন বালু তোলার ফলে নদীর দু’পাশের বিঘার পর বিঘা ফসলি জমি, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ব্রিজ ও অনেক বসতবাড়ি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রশাসন যেন দ্রুতই এগুলো বন্ধের ব্যবস্থা করে।
জানা গেছে, বাস্তা-নয়ারচর এলাকার মো. নাহিদ মিয়া গত দুই বছর ধরে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তুলে লাখ লাখ টাকায় বিক্রি করছেন। এতে নদীর দু-পাশে ফসলি জমি ও বাড়িঘর ভেঙে যাচ্ছে।
.png)
ভুক্তভোগী আব্দুর রফিক জানান, নাহিদ মিয়া ও সন্ত্রাসী বাহিনী জোর করে অবৈধভাবে বালু তুলছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে তারা এসব কাজ করে যাচ্ছে। বারবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না।
আরেক ভুক্তভোগী জমিলা বেগম জানান, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তোলার কারণে বাড়িতে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছি। এমনটা চলতে থাকলে আমার ভিটা-বাড়ি সবকিছুই নদীগর্ভে চলে যাবে। আমরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি জানান, অবৈধভাবে নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা বন্ধে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হবে।