ওই প্রসূতি উপজেলার গাঙ্গুরিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী। জোড়া লাগা নবজাতক শিশু ও তাদের মা সুস্থ রয়েছেন। তবে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ইসলামী ল্যাব অ্যান্ড হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ নুরনবী জানান, ফিরোজা বেগম নামের ওই প্রসূতিকে শুক্রবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সকালে তার অস্ত্রোপচার করেন ডা. নুর মোহাম্মদ। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সফলভাবে জোড়া যমজ কন্যাশিশুর জন্ম দেন ফিরোজা। তবে নওগাঁয় জোড়া লাগা শিশুর চিকিৎসা নেই বলে এদিন বিকেলে রাজশাহী পাঠানো হয়েছে।
.png)
অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক বলেন, ওই যমজ শিশুর হাত-পা, কান, চোখ, মাথাসহ সব অঙ্গপ্রতঙ্গ ঠিক থাকলেও শুধু পেট ও বুকের কিছু অংশ জোড়া লাগানো আছে।
নওগাঁর ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মঞ্জুর এ মোর্শেদ বলেন, জেলা সদর হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন। নওগাঁয় ওই শিশুকে রেফার্ড করলে প্রাথমিক অবস্থায় তার চিকিৎসা করানো যেত। হয়তো দূরত্বের কারণে তারা নওগাঁর পরিবর্তে রাজশাহী নিয়ে গেছেন।