মামলায় পরাজিত প্রার্থীর ভাগিনা আহত মোফাজ্জল সরদার বাদী হয়ে ৪১ জনের নাম এজাহারে উল্লেখ করেন। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন ইউপির খিলগাঁও গ্রামের মৃত মান্নান খানের ছেলে ওবায়দুর রহমান খান (৪০), আলী হোসেন খানের ছেলে জসিম খান (৩৮) ও নুর মোহাম্মদ গাজীর ছেলে সুমন গাজী (৩৫)।
.png)
এ বিষয়ে আজ রাত পৌনে ৮টার দিকে শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আক্তার হোসেন বলেন, রোববার দুপুরে বিজয়ী আলী আজগর খান ও পরাজিত আব্দুল মতিন ছৈয়াল প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরাজিত সমর্থকদের পক্ষে মোফাজ্জেল সরদার নামে এক ব্যক্তি থানায় মামলা করতে এলে আমরা তার মামলা নেই। তবে বিজয়ী প্রার্থী পক্ষ থেকে কেউ থানায় মামলা বা অভিযোগ দিতে আসেননি। মামলায় যাদের নাম দেওয়া হয়েছে, তারা সবাই ওই সংঘর্ষের সময় ছিলেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ।
তিনি বলেন, অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।
এ বিষয়ে পরাজিত প্রার্থী আব্দুল মতিন ছৈয়াল বলেন, আমার লোকদের ওপর হামলা চালিয়েছে আলী আজগরের লোকজন। আমার বেশ কয়েকজন সমর্থক আহত হয়েছেন। আমার ভাগিনা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।
এদিকে বিজয়ী প্রার্থী আলী আজগর খান বলেন, আমি জয়ী হয়ে এলাকার লোকদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে মতিন ছৈয়াল লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এখন আবার আমাদের বিরুদ্ধেই মামলা করেছে তারা।
জানা যায়, গত ১১ নভেম্বর ডোমসার ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে মোরগ প্রতীক নিয়ে আলী আজগর খান ও তালা প্রতীক নিয়ে আব্দুল মতিন ছৈয়াল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে বিজয়ী হন আলী আজগর খান। জয়-পরাজয় নিয়ে গতকাল রোববার উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের কয়েকশ লোক ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এ সময় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন।
সোমবার দুপুরে এ মামলায় মোফাজ্জেল সরদার বাদী হয়ে জলিল খান (৫৫), অলিল খান (৪৮), ফারুক চৌকিদার (৪৯), কবির চৌকিদার (৩৫), আলী আজগর খান (৫২) সহ ৪১ জনের নামে মামলা করেন। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে।