রোববার বিকেলে কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরের কলাকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সোমবার রাজধানীর আলী আজগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
শিশু আবরারের মামা রবিন জানান, আবরারের বাবার নাম মো. পারভেজ ও মায়ের নাম সুপ্তি বেগম। আবরারের দাদা বাড়ি ঢাকার কদমতলী থানার দক্ষিণ দনিয়া কুদার বাজার আদর্শ সড়ক এলাকায়। আবরারের বাবা কাতারে থাকেন। এজন্য গত তিন মাস ধরে আবরারকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন সুপ্তি। ২১ নভেম্বর বিকেল ৫টার দিকে ছোট খালা আবরারকে নিয়ে তাদের দোতলা বাড়ির ছাদে যান। এ সময় আবরারের মা ঘরে ছিলেন। ছাদে উঠে আাবরারকে ছাদের আড়াই ফুট উঁচু দেয়ালে বসালে আবরার দেয়াল থেকে পড়ে যায়, এরপর দেয়ালটি ধসে আবরারের উপর পড়ে। এতে শিশুটি গুরুতর আহত হয়। ঐ অবস্থায় তাকে আলী আজগর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সে মারা যায়।
.png)
এদিকে আবরারের দাদা আয়নাল আহমেদ জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আড়াই ফুট দেয়াল থেকে পড়ে কারো মারা যাওয়ার কথা নয়।
তিনি আরো বলেন, আমার ছেলে পারভেজের সঙ্গে সুপ্তির বিয়ে হয় বছর দুয়েক আগে। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই ওদের বনিবনা হচ্ছিল না। আমার ছেলে ৮ মাস আগে কাতার চলে যায়। পরে সুপ্তি ওর বাবার বাড়িতে চলে যায়। ছেলের সঙ্গে ঝগড়ার কারণে ও আমাদের বাসায় থাকতে চাইতো না। সম্পর্ক ছাড়াছাড়ির পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। বিষয়টি মীমাংসার জন্য এবং বউ যেন আমাদের বাসায় আসে- এ জন্য ২-৩ দিন পর এলাকার মুরব্বিদের নিয়ে বসার কথা ছিল। এর আগেই ওরা এমনটা করল। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। ওরা আমার নাতিকে মেরে ফেলেছে। দেয়াল থেকে পড়ার নাটক সাজিয়েছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। শিশু আবরারের দাদি আয়শা বেগম একটি অভিযোগ করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।