ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

স্বামীসহ নির্যাতনকারীদের বিচার চান রিপা

জামালপুর প্রতিনিধি 
প্রকাশিত: ১৬:০০, ৮ ডিসেম্বর ২০২১
স্বামীসহ নির্যাতনকারীদের বিচার চান রিপা
স্বামী মামুন ও তার স্ত্রী রিপা আক্তার (ছবি: সংগৃহীত)

স্বামীর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের মামলা করেও বিচার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন  রিপা আক্তার নামে এক গৃহবধূ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের আগস্টের ১৫ তারিখে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়ার আ. বারেক টিক্কার ছেলে মো. মামুন টিক্কার সঙ্গে বিয়ে হয় একই এলাকার মো. ইদ্রিস আলীর মেয়ে রিপা আক্তারের। বিয়ের সময় মেয়ের বাবা স্বর্ণালংকার, সাংসারিক জিনিসপত্রসহ দুইটি ষাড় গরু দেন। বছর খানিক পর মামুন বিদেশে যাওয়ার জন্য রিপার বাবার দেওয়া স্বর্ণালংকার ও গরু বিক্রি করে দেন। পরে রিপার কাছে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় রিপার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন মামুন। উপায় না পেয়ে মামুনকে ২ লাখ টাকা দেন রিপার বাবা। পরে অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার কথা থাকলেও যেতে পারেননি মামুন।

পরে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি নেন মামুন। সেখানে পরকীয়ায় লিপ্ত হন তিনি। রিপার ভরন পোষণের খরচ না দিয়ে তাকে বাবার বাড়িতে দিয়ে আসেন মামুন। এরই মধ্যে একটা কন্যা সন্তান জন্ম দেন রিপা। 

Advertisement

রিপা আক্তার জানান, মামুন তার স্ত্রীর সন্তানেরও কোনো খবর নেন না। উল্টো ফকির আলী টিক্কার, বারেক টিক্কার সায়েদা বেগমের  পরামর্শে মোবাইল ফোনে আবারো দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। রোজার কয়েক মাস আগে মামুন রিপা এবং তার কন্যা সন্তানকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। পরে আবারো টাকা জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকেন।

তিনি আরও জানান, যৌতুকের টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় রিপার গলা চেপে ধরে এলোপাতাড়িভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কিল-ঘুষি মারেন ও লাঠি শোটা দিয়ে আঘাত করেন। পরে শিশু সন্তানসহ রিপাকে ঘর থেকে বের করে দেন মামুন। পরে এ ঘটনায় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেন রিপা। মামলা দায়ের ৬ মাস পার হয়ে গেলেও ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানান রিপা। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএডি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!