ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মমতাজ বলেন, বুধবার রাতে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়তে অজু করতে দরজা খোলেন আনোয়ার ও তার স্ত্রী। দরজা খুলেতেই ঘরে ঢুকে পড়েন ডাকাতদলের পাঁচ-ছয়জন সদস্য। এ সময় পরিবারের সবাইকে তারা বেঁধে ফেলেন। পরে ঘরে থাকা লাখ দেড়েক টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন ও প্রায় ৯ ভরি স্বর্ণ নিয়ে চলে যান। পরে আনোয়ারদের ঘরের দরজা খোলা দেখে তাদের উদ্ধার করেন প্রতিবেশীরা।
মমতাজ আরো বলেন, ঘটনার কিচ্ছুক্ষণ পর পাশের বেকি গ্রামে এক ডাকাতকে আটক করে স্থানীয়রা। তার কাছে আনোয়ারের ছেলে রুবেলের মোবাইল ফোন ও দেশীয় অস্ত্র পাওয়া যায়।
.png)
বরুড়া থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, আটক ডাকাত সদস্য তিতাস উপজেলার আবদুর রহিম। বিস্তারিত তদন্তের পর বলা যাবে। তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।