চারঘাট মডেল থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঘটনার পর থেকে পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামে এক ব্যাক্তির বাড়িতে মূল অভিযুক্তসহ আসামিরা অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার গভীর রাতে র্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ঐ এলাকা থেকে মুল অভিযুক্ত ঝিকরা জোয়ার্দ্দারপাড়া গ্রামের নকিম উদ্দিনের ছেলে সম্রাট, মহসিন আলীর ছেলে জুয়েল রানা, আব্দুর রহমানের ছেলে রাসেল রহমান, জমির উদ্দিনের ছেলে জনি আহম্মেদ ও সোহাগ আলীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের সোমবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
ঝিকরা জেয়ার্দ্দারপাড়া গ্রামের নকিম উদ্দিনের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সম্রটি আলীর সঙ্গে একই এলাকার অপর মাদক ব্যবসায়ী রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে শিলন আলীর মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। তারই জেরে রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার সরদহ ইউনিয়নের ঝিকরা জোয়ার্দ্দারপাড়া গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী শিলন তার সহযোগী মোটরসাইকেল যোগে নিজ বাড়ি থেকে চারঘাট বাজারে যাওয়ার সময় দুলালের বাড়ির কাছে পৌঁছালে প্রতিপক্ষ সম্রাট গ্রুপ শিলনের পথরোধ করে।
.png)
এ সময় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে সম্রাট গ্রুপের ধারালোর অস্ত্রের আঘাতে শিলন আলী মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা শিলনকে উদ্ধার করে প্রথমে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মূল অভিযুক্ত সম্রাটকে প্রধান আসামি করে ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় পুলিশ সম্রাটসহ অভিযুক্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে।
মডেল থানার ওসি জাহাঙ্গৗর আলম জানান, ঘটনার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে মূল অভিযুক্ত সম্রাটসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে আরো কেউ জড়িত রয়েছে কিনা পুলিশ তা তদন্ত করছে।