বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে মহিপুর মৎস্য বন্দর থেকে মাছটি কলাপাড়া বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে আসেন এক ব্যবসায়ী। সকালে বন বিভাগের লোকজন দেখে সটকে পড়েন তিনি।
কলাপাড়া উপজেলা বন কর্মকর্তা আবদুস সালাম বলেন, শাপলাপাতা মাছ ধরা এবং বিক্রি সম্পূর্ণ অবৈধ। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে মাছটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে একটি ছাড়া আর কোনো মাছ পাওয়া যায়নি।
.png)
তিনি আরো বলেন, শাপলাপাতা মাছ ধরা অবৈধ হলেও বিষয়টি এখনো অনেক জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ী জানেন না। তাই আমরা অভিযানের সঙ্গে সঙ্গে মাইকিং করছি, যেন পরবর্তীতে আর কেউ শাপলাপাতা মাছ না ধরেন।
উদ্ধার করা মাছটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হকের নির্দেশক্রমে পুড়িয়ে মাটিচাপা দেওয়া হবে বলেও জানান বন কর্মকর্তা আবদুস সালাম।