বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাব-১৫-এর কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বুধবার রাত দেড়টার দিকে কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোনের জিয়া গেস্ট ইন নামের হোটেলে এ ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার হোটেলের ক্লোজড সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজ দেখে এ ঘটনায় দুজনকে শনাক্ত করার কথা জানায় র্যাব। র্যাবের ভাষ্য, ওই দুই যুবক হলেন কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকার আশিকুল ইসলাম ও আব্দুল জব্বার জয়া। আরেকজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
.png)
ওই এ ঘটনার পর জিয়া গেস্ট ইনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে র্যাব। এতে দেখা যায়, তিন যুবক অটোরিকশায় এক নারীকে নিয়ে আসেন। দুজন ওই নারীর সঙ্গে থাকেন। আরেকজন হোটেলের রুম বুকিং দেন। সে সময় রিসিপশনে হোটেলের ব্যবস্থাপক ছোটন ছিলেন। এরপর তিন যুবক ওই নারীকে নিয়ে ওপরে চলে যান। রাত সাড়ে ১০টার দিকে যুবকরা বেরিয়ে গেলেও ওই নারীকে নামতে দেখা যায়নি।
র্যাব জানায়, এই ফুটেজ থেকে দুজনকে শনাক্তের পর ওই নারীকে তাদের ছবি দেখানো হয়। তিনি তাদের চিনতে পেরেছেন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার এক কর্মকর্তা জানান, আশিক এলাকায় মাদক ও যৌনকর্মী সরবরাহের কাজ করে। জয়া তার অন্যতম সহযোগী। ভুক্তভোগী নারীকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
র্যাব-১৫-এর কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান বলেন, জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের ম্যানেজার ছোটনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তিনি ঘটনার পর পলাতক ছিলেন। এই হোটেল থেকেই ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়।