নতুন করে খননকাজে স্থানটির মাটির নিচ থেকে আগের মতো বহু প্রাচীন ও বৌদ্ধ নিদর্শন উদ্ধার করা যাবে বলে আশাবাদী উদ্যোক্তারা।
উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর। বিক্রমপুর অঞ্চলের প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও গবেষণা কর্মসূচির পরিচালক নূহ-উল-আলম লেনিনের সভাপতিত্বে ও গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক শ্রী রতন চন্দ্র পণ্ডিত, টঙ্গিবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা তানজিন অন্তরা প্রমুখ।
.png)
পরে রঘুরামপুর বৌদ্ধ বিহারে ভোজনালয় উদ্ধোধন ও ঘুরে দেখেন অতিথিরা।
২০১৩ সাল থেকে প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা কেন্দ্র ‘ঐতিহ্য অন্বেষণ’ নাটেশ্বরের দেউলে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও গবেষণা কাজ শুরু করে। প্রায় ১০ একর ঢিবিতে উৎখনন শুরু করে। এতে ইট-নির্মিত একাধিক বৌদ্ধ মন্দির, অষ্টকোণাকৃতির স্তূপ, রাস্তা, বিভিন্ন পরিমাপের ও কাজের কক্ষ, স্থাপত্যিকসহ এক হাজার থেকে ১২০০ বছরের প্রাচীন নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়।