রোববার পৌর এলাকা থেকে জামালকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে সোমবার বিকেলে পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, গণধর্ষণের শিকার চল্লিশ বছর বয়সী ঐ নারী তিন সন্তানের জননী। তিনি সদর উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। দুই বছর আগে তার স্বামী মারা যান। মাস দুয়েক আগে আবারো বিয়ে করেন তিনি। তার বর্তমান স্বামী পেশায় একজন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে পৌর এলাকার দত্তপাড়ায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস শুরু করেন তিনি। তাদের পাশের রুমে থাকতেন বাড়ির মালিক একাদুলের ছেলে জুবায়েদ হোসেন আকাশ।
.png)
গত ২৬ ডিসেম্বর রাতে ঐ নারীকে আকাশসহ পাঁচজন গণধর্ষণ করেন। ঐ ঘটনায় ২৮ ডিসেম্বর রাতে নির্যাতিতা নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। এতে আকাশ ছাড়াও আপন মিয়া, মো. জামাল মিয়া, বাবু ওরফে হাড্ডি বাবু ও মো. সোহেল মিয়াককে আসামি করা হয়।
আরো পড়ুন: ধর্ষণচেষ্টায় জেগে ওঠায় মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা
পুলিশ গত ২৯ ডিসেম্বর আকাশকে গ্রেফতার করলেও বাকি আসামিরা পলাতক ছিল। এরই মধ্যে আকাশ আদালতে গণধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তার জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী জামাল।
আরো পড়ুন: দুই গারো তরুণীকে দলবেঁধে ধর্ষণ, পাঁচ আসামি রিমান্ডে
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. আবদুল কাদের মিয়া বলেন, এক আসামি জবানবন্দিতে জানিয়েছে জামাল ঐ ঘটনার মূল হোতা। ঘটনার পর থেকে চার আসামি পলাতক থাকলেও জামালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।