শনিবার বিকেলে পুলিশ ১০দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে গাজীপুরের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ হাজির করা হয় আনারুলকে।
পরে শুনানি শেষে ঐ আদালতের বিচারক মেহেদী পাভেল সুইট মামলার একমাত্র আসামি আনারুলের বিরুদ্ধে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
.png)
গাজীপুর মেট্রোপলিটন কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবে খোদা জানান, গ্রেফতারকৃত আনারুল গাইবান্ধার সাদুল্লাহপুর থানার বুর্জুগ জামালপুর গ্রামের আনসার আলীর ছেলে। অধ্যাপক সাইদা গাফফারকে হত্যার পর সে তার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধায় পালিয়ে যায়। আনারুল ইসলাম প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে। তবে কি কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, এর সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং নিহতের বাড়ি থেকে কি কি জিনিস সে লুট করেছে সেটা জানার জন্য রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
গাজীপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সানোয়ার জাহান জানান, হত্যাকাণ্ডে পর আনারুল ইসলাম তার শ্বশুরবাড়ি গাইবান্ধার পলাশ বাড়িতে রাত যাপন করেন। পর দিন সে তার নিজ গ্রামের বাড়ি সাদুল্লাপুরে চলে যায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশের দুটি টিম আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামির অবস্থান শনাক্ত করে। পরে পুলিশ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সাদুল্লাপুর থানার জাউলিয়া বাজার থেকে আনারুল অটোরিকশা যোগে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
এ সময় তার কাছ থেকে নিহত অধ্যাপক সাইদা গাফফারের ব্যবহৃত একটি বাটন মোবাইল, একটি এনড্রয়েট মোবাইল সেট এবং ২ হাজার ৬৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
এদিকে শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অধ্যাপক সাইদা গাফফারের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। পরে তার স্বজনরা লাশ ঢাকায় নিয়ে যান। রাতে ঢাকায় জানাজা শেষে তাকে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরাস্থানে দাফন করা হয়।