নৌকা ডুবে নৈশপ্রহরীর রহস্যজনক মৃত্যু
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে নৌকা ডুবে বাদল হোসেন নামে এক নৈশপ্রহরীর মৃত্যু হয়েছে। তবে তার মৃত্যু রহস্যজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের বেনীপুর বাঁওড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৪০ বছর বয়সী বাদল জীবননগর উপজেলার গঙ্গাদাসপুর গ্রামের গুলজার হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার রাত ৯টার দিকে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকায় চড়ে বেনীপুর বাঁওড় পাহারা দিচ্ছিলেন নৈশপ্রহরী বাদল, সাজু ও মাসুম। তারা বিলের মাঝখানে পৌঁছালে হঠাৎ নৌকাটি উল্টে যায়। এ সময় নৌকায় থাকা সাজু ও মাসুম সাঁতরে ডাঙায় উঠতে পারলেও বাদল তলিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা ১১টার দিকে বাদলের মরদেহ উদ্ধার করে।
.png)
জীবননগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ভবতোষ রায় জানান, বাদলের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করার পর ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাদল দুটি হত্যা মামলার সাক্ষী। তার মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো রহস্য আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, ইন্স্যুরেন্স কর্মীর পরিচয়ে মোবাইলে বিভিন্ন বয়সের পুরুষের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন রেখা খাতুন। এরপর ফেলতেন প্রেমের ফাঁদে। প্রেম যখন জমে খির, তখনই অন্তরঙ্গ সময়’ কাটানোর লোভ দেখিয়ে প্রেমিকদের বাসায় ডাকতেন তিনি। পরে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করতেন প্রেমিকদের।
এভাবেই বহু পুরুষকে ফাঁদে ফেলে নির্যাতন, মুক্তিপণ আদায় ও টাকা, মোবাইলসহ দামী মালামাল ছিনতাই করেছে রেখা খাতুন ও তার গ্যাং। কাজ শেষ হলেই বদলে ফেলত ঠিকানা। নতুন জায়গায় গিয়ে একইভাবে চলত প্রতারণা।