এর আগে, মঙ্গলবার রাতে ঐ উপজেলার উপজেলার দিঘলিয়া গ্রামে যৌতুকের দাবিতে পরিকল্পিতভাবে সোনিয়াকে হত্যা করা হয়েছে বলে তার পরিবারের দাবি।
নিহত সোনিয়া একই উপজেলার পথেরবাজার এলাকার পানিগাতির সোলাইমান বিশ্বাসের মেয়ে। তার স্বামী ইব্রাহিম খান দিঘলিয়া গ্রামের ইসলাম খানের ছেলে। তাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে আছে।
.png)
নিহতের বড় ভাই আজিজুল বিশ্বাস বলেন, মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে আমার বোনের শ্বশুরবাড়ি সংলগ্ন একজনের কাছে খবর পেয়ে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি ঘরের মেঝেতে ছোট বোন সোনিয়ার নিথর দেহ পড়ে আছে। আশপাশের লোকজন এসে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে ভোরের দিকে সোনিয়ার স্বামী ইব্রাহিম খানকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহতের মা ফাতেমা বেগম বলেন, আমার মেয়েটাকে প্রায় সময়ই নির্যাতন করতো ইব্রাহিম। দুটি বাচ্চার মুখের দিক তাকিয়ে সব সহ্য করতো সোনিয়া। বিভিন্ন সময় যা পেরেছি টাকা-পয়সা দিয়েছি। এরপরও মেয়েটির জীবন শেষ করে দিলো ইব্রাহিম। আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
দিঘলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন সরকার বলেন, স্ত্রী সোনিয়াকে হত্যার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী ইব্রাহিমকে আটক করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি।