রোববার সকালে রংপুরে র্যাবের সহকারী পরিচালক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (মিডিয়া) মাহমুদ বশির আহামেদ স্বাক্ষরিত সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানা গেছে।
এতে বলা হয়েছে, নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার স্কুলশিক্ষক সিরাজুল ইসলামের বড় মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় একই এলাকার শহিদ শাহের। এরপর শহিদ শাহের দৃষ্টি পরে তার শ্যালিকার ওপর। এই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের সৃষ্টি হয়। এর একপর্যায়ে গত বছরে জুলাই মাসে তার স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে। পরবর্তীতে মোহরানার জন্য কিশোরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন স্ত্রী।
.png)
আরো পড়ুন: ভাইরাল ব্যালে বালিকা নওগাঁর ইরা
এতে শহিদ শাহ ক্ষিপ্ত হয়ে শ্যালিকাকে অপহরণ করে। অপহরণের ঘটনায় মেয়ের বাবা সিরাজুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহৃতাকে উদ্ধার ও শহিদ শাহকে গ্রেফতার করে। শহিদ শাহ তিন মাস জেলে থাকার পর জামিনে মুক্তি হন। পরে গত বছরের ১৪ অক্টোবর পুনরায় শ্যালিকাকে অপহরণ করে গা-ঢাকা দেন। এরপর তাকে বিয়ে করে আত্মগোপনে করেন।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় স্ত্রী (শ্যালিকা) অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি তাকে নির্যাতনের একপর্যায়ে পেটে লাথি মারলে রক্তক্ষরণে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে ২০ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।
পরে র্যাব অভিযান চালিয়ে শুক্রবার রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর লস্কারচালা এলাকা থেকে প্রধান আসামি শহিদ শাহ, হেলাল মিয়া ও করিম মিয়াকে গ্রেফতার করে। র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।