বৃহস্পতিবার বেলা বারোটার দিকে পৌর শহরে শতাধিক নারী-পুরুষ রমজানের শাস্তির দাবিতে এসব কর্মসূচি পালন করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে তারা স্মারকলিপি প্রদান করেন।
ভুক্তভোগী এবং ছিটপাড়া এলাকাবাসী জানান, শহরের ছিটপাড়ায় মহিলা কলেজ ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন জেলা পরিষদের ডাক বাংলোয় কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত রজমান আলী। তিনি ডাক বাংলোর ভেতরে পুরনো একটি পরিত্যক্ত ভবনে বসবাস করেন এবং সেখানে বিভিন্ন জায়গা থেকে তরুণীদের এনে বাইরের খদ্দের দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত দেহ ব্যবসা পরিচালনা করে। একইসঙ্গে তিনি খদ্দেরদের মাদকের সরবরাহ করে থাকেন। নিজেও মাদক সেবন করে ডাক বাংলোর পরিবেশ নষ্ট করছেন। ২০১৮ সালে এক প্রতিবন্ধী টোকাই এক তরুণীকে ধর্ষণ করলে ঐ তরুণী অন্তঃস্বত্ত্বা হওয়ার পর বিষয়টি প্রকাশ পায়। এক পর্যায়ে মামলা দায়ের হলে পুলিশ রমজানসহ দুইজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। বর্তমানে ওই মামলা বিচারাধীন।
.png)
এলাকাবাসী আরো জানান, রমজানের এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করলে তার স্ত্রী-কন্যাকে দিয়ে আদালতে মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করে। নারী নির্যাতনের মামলার ভয় দেখায়। এমতাবস্থায় রমজানের কর্মকাণ্ডে তারা অতিষ্ঠ। তাই এলাকাবাসী রমজানকে চাকরিচ্যুত করে তার এসব অপকর্ম বন্ধের পাশাপাশি শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বেলা এগারোটার দিকে শহরের ছিটপাড়া গাংপাড় মহল্লা থেকে নারী-পুরুষ ও তরুণদের সমন্বয়ে রমজানের বিচার দাবি করে শহরের প্রধান সড়কে প্রায় দুই কিলোমিটার প্রদক্ষিণ করে এবং ঝাড়ু ও জুতা হাতে প্রতিবাদ মিছিল করেন। পরে উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন করেন তারা। মানববন্ধনে এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন- ধর্ষিতা, প্রতিবন্ধী নারী, নারীনেত্রী কমরেড রাজিয়া সুলতানা, ভুক্তভোগী মিরাজ উদ্দিন, রিপন মিয়া ও তারেক মিয়া প্রমুখ।