ব্যবসায়ী সুজন মিয়া বলেন, আমার দোকানের নাম সাদিয়া কসমেটিকস। গতরাতেও দোকানে মালামাল ঢুকেছে। আমার ৩টি গোডাউনে কসমেটিকস, প্লাস্টিক ও সুতার আইটেম ছিল। আগুন সব শেষ করে দিলো।
ধান-চাল ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, গতকাল আমার গুদামে অনেক চাল ঢুকেছে। আজ ভোরে বাজারের পাহারাদার আমাকে ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে এসেছে। এসে দেখি আগুনের তাণ্ডব। দ্রুত সময়ে আগুন এক দোকান থেকে অন্য দোকানে প্রবেশ করছে। আমি কিছুই করতে পারলাম না। আমার সব শেষ হয়ে গেল।
.png)
লছমনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বলেন, ঐতিহ্যবাহী কুসুমহাটি বাজারে যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন এলাকার মানুষ ব্যবসা করে আসছে। রোববার ভোরের আগুনে ২০ জন ব্যবসায়ী নুঃস্ব হয়ে গেছেন। দোকানগুলো খুব কাছাকাছি হওয়ায় দ্রুত আগুন এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ছড়িয়ে পড়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
ফায়ার সার্ভিসসের উপস-হকারী জাবেদ হোসেন তারেক বলেন, প্রাথমিক তদন্তে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাতের প্রমাণ মিলেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা আবেদন করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে