মানবসেবাকর্মী আলমগীর হোসেন বলেন, ওই দুই মাদরাসায় অসহায় ও এতিম ছাত্রদের কোরআন প্রয়োজন ছিল। পরে বিস্তারিত লিখে ফেসবুকে এ বিষয়ে পোস্ট দেই। পোস্টে যথেষ্ট সাড়া পাই। ওই অর্থ দিয়ে এতিম ছাত্রদের জন্য ৪০টি পবিত্র কোরআন কিনে দেওয়া হয়েছে।
চরহরিপুর কবরস্থান এতিমখানা হাফিজিয়া মাদরাসার প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন ও বাগবাটি হাট নুরুন আলা-নূর হাফিজিয়া কওমি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুল্লাহ শেখ বলেন, আমাদের মাদরাসায় অনেকদিন ধরে এতিম ছাত্রদের কোরআন প্রয়োজন ছিল। একথা শুনে আলমগীর হোসেন এগিয়ে আসেন। আজ সন্ধ্যায় তারা আমাদের হাতে পবিত্র কোরআন তুলে দেন।
.png)
এসময় মানব সেবাই-স্বপ্ন গ্রুপের অ্যাডমিন মো. শামিম রেজা, মানবসেবাকর্মী ইসমাইল হোসেন, আব্দুল আলিম, আব্দুল মমিন ও মাদরাসার শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।