পরে শনিবার দুপুরে অভিযুক্ত মো. সোহেল রানাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার সোহেল ওই উপজেলার বাসিন্দা মো. আয়েন উদ্দীনের ছেলে। আর নির্যাতনের শিকার ভিকটিমের বাড়ি একই জেলার সিংড়া উপজেলায় বাড়ি। সে নলডাঙ্গায় বোনের বাড়ি বেড়াতে এসেছিল।
.png)
আরো পড়ুন: রেললাইনে হাঁটছিলেন যুবক, মুহূর্তেই হলেন দু’ভাগ
নলডাঙ্গা থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, গত ৯ ফেব্রুয়ারি কিশোরী সিংড়া থেকে তার খালাতো বোনের বাড়ি নলডাঙ্গায় বেড়াতে আসে। ওইদিন থেকেই সে তার খালাতো বোনের বাড়িতে অবস্থান করছিল। এরমধ্যে দুলাভাই সোহেল রানা তাকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়িয়েছেন।
এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি (ভালোবাসা দিবস) তাকে নিয়ে বেড়ানোর পর দিবাগত রাতে সোহেল তার বাড়িতেই ওই কিশোরী শ্যালিকাকে ধর্ষণ করেন। পরে ওই কিশোরী তার বাড়িতে ফিরে বিষয়টি বাবা-মাকে খুলে বলেন।
বিষয়টি জানার পর শুক্রবার বিকেলে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নলডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সোহেলকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারারে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান ওসি শফিকুল ইসলাম।