নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি হলেন- জেলার কচুয়া উপজেলার দোবারিয়া গ্রামের তৈয়ব সরদারের ছেলে ৫৫ বছর বয়সী রিকশাচালক লুৎফর সরদার।
আহত নাজমা ও নার্গিসের বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়ায়। তারা অ্যাম্বুলেন্সে খুলনায় ডাক্তার দেখানোর জন্য যাচ্ছিলেন। আহত রিকশার যাত্রী শুকুর এলাইচ রাসেলের বাড়ি মোরেলগঞ্জ উপজেলার কালিকাবাড়ি এলাকায়।
.png)
অ্যাম্বুলেন্সচালক মো. মিলন বলেন, দূর থেকে দেখি একটি ট্রাক দ্রুতগতিতে আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই একটি রিকশাকে চাপা দিয়ে আমার অ্যাম্বুলেন্সকে ধাক্কা দেয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগী ও তার বোন গুরুতর আহত হন। ট্রাকের হাত থেকে বাঁচতে আমি অ্যাম্বুলেন্সটিকে ডান পাশে নিয়ে এলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহজাহান সিরাজ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার জায়গা থেকে আমরা একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছি। আহত দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে করে খুলনায় পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত একজন বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা গেছেন।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত দুজনের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গেছে। অন্যজনের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। পলাতক ট্রাকচালককে আটকের জন্য কাজ শুরু করেছে পুলিশ।