রোববার সকালে উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের ডাঁসা গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের নাম আফরোজা খাতুন ওরফে পায়রা। তিনি একই গ্রামের আতিয়ার রহমানের মেয়ে।
স্বজনদের দাবি, পায়রার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি কিংবা আত্মহত্যাও করেননি। তাকে কে বা কারা গলায় জোড়া ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
.png)
স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ৩০ বছর ধরে বাবার বাড়িতে থাকছেন স্বামী পরিত্যক্তা পায়রা। তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে বড় ছিলেন তিনি। সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ৭০০ মিটার দূরে পুকুরপাড়ে পয়রার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন কৃষক আক্তারুজ্জামান লিটন। পরে প্রতিবেশীরা তার লাশ উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে পুলিশে খবর দেন।
নিহতের চাচাতো ভাই রাকিবুল বলেন, রাতে ঘরে ছিলেন পায়রা। সকালে পুকুরপাড়ে গলায় দুটি ওড়না পেঁচানো লাশ পাওয়া যায়। তাকে হত্যা করা হয়েছে। তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
নিহতের মা বলেন, সকালে কে যেন পায়রা বলে ডাক দিলেন। আর পায়রা চলে গেল। পরে লাশ পেলাম।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার মৃত্যু রহস্যজনক। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। তিনি মানসিক রোগী ছিলেন বলে জানা গেছে।