গুরুত্বর আহত স্বামী-স্ত্রীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতাল ভর্তি করা হয়।
জানা যায়, টাকা পয়সা নিয়ে পুড়াবাড়িয়া গ্রামের হাসু মিয়ার ছেলে আবু সাঈদ, মতিন মিয়ার ছেলে মাসুদ মিয়া ও রিপনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় আবুল হোসেনের। এক পর্যায়ে আবুল হোসেনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন আবু সাঈদ। এ ঘটনায় আবুল হোসেন প্রতিবাদ করে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেওয়ার কথা বলেন।
.png)
এ ঘটনার পর রাত ১২টার দিকে ঘরে ঘুমিয়ে থাকা আবুল হোসেনকে কথা আছে বলে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে ঘরের বাইরে ডেকে নেন আবু সাঈদ। বাড়ির পাশে ঝোঁপের ধারে নিয়ে যায়। ঝোঁপের মধ্যে লুকিয়ে থাকা কয়েকজন এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে স্ত্রী আসমা খাতুনকেও কুপিয়ে জখম করে। তাদের আতচিৎকারে পরিবার ও আশে পাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় স্বামী স্ত্রীকে উদ্ধার করে প্রথমে নান্দাইল সদর হাসপাতাল পরবর্তীতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়।
গুরুতর আহত আবুল হোসেন জানান, অভিযুক্তরা মাদকের ব্যবসা করেন। প্রতিবাদ করেছি বলে রাতের বেলায় ঘর থেকে ডেকে নিয়ে আমাকে ও আমার স্ত্রীকে কুপিয়েছে।
আহত আবুল হোসেনের ছেলে মো. যুবরাজ জানান, বাবা মাকে যারা নির্মমভাবে কুপিয়েছে তাদের বিচার চাই।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, ঘটনার খবর শুনেছি। এ ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।