নিহত রুমী আক্তার ঐ উপজেলার বারুর গ্রামের এমরান হোসেন স্ত্রী। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন- নিহতের স্বামী মো. এমরান হোসেন ও ভাসুর মো. কালু মিয়া।
.png)
স্থানীয় সূত্র জানায়, ৬ মাস আগে এমরান হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় একই উপজেলার জাফগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ নারায়ণপুরের সাহেব আলীর মেয়ে রুমি আক্তারের। তিনি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
রুমীর পরিবারের দাবি, বিয়েতে বরপক্ষকে স্বর্ণালংকার ও ১ লাখ টাকা যৌতুক দেওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে মাত্র ২০ হাজার টাকা বাকি ছিল। ঐ টাকার জন্য স্বামী এমরান মানসিকভাবে নির্যাতন করতো রুমীকে। টাকা না পেয়ে রাতে তাকে হত্যা করে ঘরের সিলিংয়ে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছে এমরান ও তার ভাই কালু।
দেবিদ্বার থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী ও ভাসুরকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন নিহতের ভাই মো. নুরুল ইসলাম।