অভিযুক্ত ইয়াছিনের বাড়ি লালুয়া ইউপির চর চান্দুপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আজাহার হাওলাদারের ছেলে।
অন্তঃসত্ত্বা যুবতী জানান, তার পরিবারটি অত্যন্ত গরিব বিধায় তার বাবা-মা রাতে বিভিন্ন নদ-নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। ৮ মাস আগে গভীর রাতে বাবা-মা তাকে ঘরে ছোট বোনের সঙ্গে রেখে মাছ শিকারে গেলে খড়ের ঘরের বেড়া ভেঙে ইয়াছিন ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ঘুমন্ত অবস্থায় তার হাত ও মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে ইয়াছিন। এ সময় ওই যুবতী ঘটনা সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে পাশে ঘুমিয়ে থাকা ছোট বোনকে হত্যার হুমকি দেয় অভিযুক্ত। পরে একইভাবে তার মা বাবার অনুপস্থিতিতে একাধিকবার ধর্ষণ করে যুবতীর ঘরের পাশের দোকানি ইয়াছিন। এর পরে দুই মাস আগে পারিবারিকভাবে ওই যুবতীকে বিয়ে দেওয়া হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে চিকিৎসকের কাছে নিলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পায়।
.png)
যুবতী জানান, শুধুমাত্র ছোট বোনকে মেরে ফেলার ভয়ে তিনি কাউকে কিছু জানাতে পারেননি।
কলাপাড়া থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন জানান, যুবতীকে মেডিকেল রিপোর্টের জন্য পটুয়াখালী পাঠানো হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।