বুধবার সকাল ৯ টার দিকে ওই উপজেলার সুঘাট ইউপির চকধিনাই গ্রামে নিজ ঘর থেকে মৌসুমীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৌসুমী একই গ্রামের মোজাম হোসেনের মেয়ে। সে উপজেলার কল্যাণী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
তার লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন শেরপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম।
.png)
মৃতের মা পারুল আক্তার ও স্থানীয় ইউপির সদস্য নূরনবী মণ্ডল জানান, মঙ্গলবার বিকেলে মৌসুমী তার বড় ভাই পারভেজ হোসেনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। ওই সময় পারভেজ তার (মৌসুমী) ব্যবহৃত মুঠোফোন রাগ করে ভেঙে ফেলেন। পরে তাদের মা পারুল আক্তার এসে তাদের থামিয়ে দেন। একই সঙ্গে পারুল তার মেয়ে মৌসুমী ও ছেলে পারভেজকে বকাবকি করেন। পরবর্তীতে তারা এক সঙ্গেই রাতের খাবার খেয়ে নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। বুধবার সকালে মৌসুমীর ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় পারুল তার ঘরের দরজায় গিয়ে ডাকাডাকি করতে থাকেন। অনেক ডাকাডাকির পরেও মেয়ের কোনো সাড়া পাচ্ছিলেন না তিনি। এতে তার সন্দেহ হলে তিনি মৌসুমীর ঘরের জানালা কাছে যান। তখনই তিনি গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মৌসুমীকে ঘরের তীরের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৌসুমীর লাশ উদ্ধার করে।
শেরপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধারের ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।