রোববার ভোরে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনি মারা যান। লেদু ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ইউছুপেরখিল এলাকার সুলতান আহমদের ছেলে।
পুলিশ জানায়, ২০১৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি মারামারির ঘটনায় কক্সবাজার সদর থানায় করা একটি মামলার চার নম্বর আসামি লেদু। তবে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন তিনি। তবে হৃদরোগের কারণে গত ঈদুল ফিতরের পর প্রবাস থেকে দেশে ফেরেন তিনি। এরপর এলাকায় ব্যবসা শুরু করেন।
.png)
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার ভোরে লেদুর বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। বাড়িতে পুলিশ আসার খবরে লেদুর বুকে ব্যথা বেড়ে যায়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানান পরিবারের সদস্যরা। এরপর পুলিশের গাড়িতে করে তাকে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।
মৃতের ছেলে শরীফুজ্জামান বলেন, এলাকার একটি মারামারির মামলায় বাবাও আসামি হন। কিন্তু পরে স্থানীয়ভাবে বসে মামলা নিষ্পত্তি হয়। বাবাও প্রবাসে চলে যান। তবে এ নিষ্পত্তিনামা আদালতে না দেওয়ায় মামলা চলমান থেকে যায়। এর ভেতর বাবা পলাতক হিসেবে ওয়ারেন্ট হয়। এসব আমাদের জানা ছিল না। সেই মামলায় বাবাকে গ্রেফতার করতে যায় পুলিশ। বিষয়টি জানার পর বুকে ব্যথা অনুভব করেন। পরে পুলিশের গাড়িতে করে হাসপাতালে নেয়ার পর বাবার মৃত্যু হয়।