সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম ইশমামের উপস্থিতে পুলিশ দিদারের লাশ উত্তোলন করে।
এর আগে, গত ১৭ জুলাই ক্রোকেরচরের আফজাল মিস্ত্রির বাড়ির একটি ঘর থেকে দিদারের লাশ উদ্ধার করে ক্রোকেরচর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। দাফনের ৬ দিন পর মৃত দিদারের স্ত্রী স্বর্ণা খাতুন বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। দিদার হোসেন আলীরটেক ক্রোকেরচর এলাকার জালালের ছেলে।
.png)
মামলার তদন্তকারী অফিসার আজাহারুল ইসলাম জানান, মামলার সঠিক তদন্ত ও মৃত্যুর কারণ জানার জন্য আদালতের নির্দেশে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে বিস্তারিত জানা যাবে।
দিদারের স্ত্রী স্বর্ণা খাতুন জানান, গত ১৬ জুলাই দুপুরে ভাত খাওয়ার পর বাস থেকে বের হন দিদার হোসেন। সন্ধ্যায় বাসায় না ফেরায় তার ব্যবহৃত মোবাইলে ফোন করলে রিসিভ করেন রোজিনা নামে তার মামি শাশুড়ি। তিনি বলেন তোর স্বামী মোবাইল রেখে কোথায় যেন চলে গেছে। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে পাওয়া যায়নি।
তিনি আরো জানান, পরদিন ১৭ জুলাই একই এলাকার আফজাল মিস্ত্রির বাড়ির একটি ঘরে দিদারের লাশ পাওয়া যায়। এলাকার লোকজন নিয়ে লাশ উদ্ধার করে দাফন করা হয়। পরে মোবাইলে একটি ভিডিও দেখে সন্দেহ হয় তাকে হত্যা করে কে বা কারা সেখানে ফেলে গেছে।