ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বগুড়ায় ফুটবল খেললো রোবট

বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:২০, ৬ আগস্ট ২০২২
বগুড়ায় ফুটবল খেললো রোবট
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বগুড়ায় ‘রোবটিক্স অলিম্পিয়াড’ এর আয়োজন করেছে জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি (নেকটার)। দেশে আগামী ৩০ বছর ধরে তরুণ বা উৎপাদনশীল জনগোষ্ঠী সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে। ফলে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুফল ভোগে তরুণ জনগোষ্ঠীকে উৎসাহিত করতে এ আয়োজন করা হয়। এ সময় রোবটদের ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়।

শনিবার বগুড়ার ফুলতলায় অবস্থিত নেকটার মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ আয়োজন করা হয়। এতে দেশের ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। সারাদেশ থেকে ১০৬ টিমে মোট ৩৩১ জন অংশগ্রহণ করেন রোবটিক্স অলিম্পিয়াডে। দেশে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুফল ভোগে তরুণ জনগোষ্ঠীকে উৎসাহিত করতে এ আয়োজন করা হয়।

এতে অংশ নেয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ।

Advertisement

এই অলিম্পিয়াড চার ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। সেগুলো হলো- রবো সকার, লাইন ফলোয়িং রোবট কম্পিটিশন, প্রজেক্ট শোকেসিং, ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন। রবো সকার হলো রোবটদের ফুটবল টুর্নামেন্ট।

রোবটিক্স অলিম্পিয়াডে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মহসিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন- এটুআই’র প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, কম্পিউটার বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- নেকটারের পরিচালক (উপসচিব) মো. শাফিউল ইসলাম।

নেকটার সূত্রে জানা গেছে, রোবটিক্স অলিম্পিয়াডের উদ্দেশ্যে হলো- দেশে আধুনিক স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে চলমান উৎপাদন এবং শিল্প ব্যবস্থার স্বয়ংক্রিয়করণ। এর মাধ্যমে ইন্টারনেট অব থিংকিং (আইওটি) ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার মানবসম্পদের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।

দেশে বর্তমানে তরুণের সংখ্যা প্রায় চার কোটি ৭৬ লাখ। যা মোট জনসংখ্যার শতকরা ৩০ ভাগ। আগামী ৩০ বছর ধরে তরুণ বা উৎপাদনশীল জনগোষ্ঠী সংখ্যা গরিষ্ঠ থাকবে। বাংলাদেশের জন্য চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুফল ভোগ করার জন্য তরুণরাই সবচাইতে বড় শক্তি।

তবে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠী চাকরি হারাবে। তবে তৈরি হবে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র। কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ তৈরি ও অ্যাসেম্বলিং, সফটওয়্যার তৈরি এবং ডাটা প্রসেসিং কাজে দেশের লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

নেকটারের পরিচালক (উপসচিব) মো. শাফিউল ইসলাম বলেন, জনগণের মাঝে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের গুরুত্ব তুলে ধরতে বগুড়ায় প্রথমবারের মতো ‘রোবটিক্স অলিম্পিয়াড’ এর আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে তরুণ জনগোষ্ঠী উৎসাহিত হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ট্যাগ: বগুড়া রোবট
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!