জানা গেছে, নাইট সাফারি পার্ক চালু হওয়া পর্যন্ত সংগ্রহ করা প্রাণীগুলো রাখা হবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায়। এক জোড়া সিংহ, ছয়টি ক্যাঙ্গারু, চারটি সাম্বার হরিণ, চারটি উট, ম্যাকাও পাখি, আটটি ওয়াইল্ড বিস্টসহ আট প্রজাতির প্রাণী সংগ্রহের জন্য চলছে আন্তর্জাতিক টেন্ডার প্রক্রিয়া। এ খাতে প্রায় দুই কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান করা হবে। এসব প্রাণী সংগ্রহ করতে সময় লাগবে প্রায় দুই মাস।
এদিকে, তিনদিন আগে সোমবার এ পার্কের জন্য পাঁচটি সাম্বার হরিণ ও দুটি ভাল্লুক নির্বাচন করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবেও প্রাণী সংগ্রহের কার্যক্রম চলছে। এছাড়া কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের যে চিড়িয়াখানাটি বন্ধ রয়েছে, সেখান থেকেও প্রাণী সংগ্রহ করা হচ্ছে। আগামী চার-পাঁচদিনের মধ্যেই সেখানকার প্রাণীগুলো চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় হস্তান্তর করা হবে।
.png)
চট্টগ্রামের ডিসি মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, নাইট সাফারি পার্ক তৈরি হওয়া পর্যন্ত সংগ্রহ করা প্রাণীগুলো আপাতত ৬-৭ একর জায়গার ওপর চিড়িয়াখানার মতো করে রাখা হবে। এক জোড়া সিংহ, ক্যাঙ্গারু, সাম্বার হরিণসহ আট প্রজাতির প্রাণী সংগ্রহ করার জন্য আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করার প্রক্রিয়া চলছে। এসব প্রাণী সংগ্রহ করতে আমাদের দুই মাসের মতো সময় লাগবে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের পাঁচটি সাম্বার হরিণ আর ভাল্লুক চিড়িয়াখানায় রয়েছে। এটি কিন্তু সাফারি পার্কের একটি অংশ। আমরা স্থানীয়ভাবে যেসব প্রাণী সংগ্রহ করতে পারি, সেগুলোই সংগ্রহ করছি। আরেকটি বড় প্রাণীর সরবরাহ আমরা পাবো কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের বন্ধ হয়ে যাওয়া চিড়িয়াখানা থেকে। ওই চিড়িয়াখানায় যেসব প্রাণী রয়েছে সেগুলো এক সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় হস্তান্তর করতে পারবো।
ডিসি বলেন, এসব প্রাণী সংগ্রহ হলে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় আর স্থান সংকুলান হবে না। তাই প্রাণীগুলোকে আপাতত রাখার জন্য সেখানে কিছু শেড করবো। নির্মাণকাজ আগামী দেড় মাসের মধ্যে শেষ হলে আমরা চিড়িয়াখানা হিসেবে জঙ্গল সলিমপুর পার্ক চালু করবো। পরবর্তীতে দেড়-দুই বছরের মধ্যে সেটাকে পূর্ণাঙ্গ নাইট সাফারি পার্কের আদলে রূপান্তর করবো।
৪০ একর জায়গাজুড়ে স্থাপন হতে যাওয়া এ নাইট সাফারি পার্কে দিন-রাত দর্শনার্থীদের প্রবেশের সুযোগ থাকবে। এটিই হবে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নাইট সাফারি পার্ক যেটি চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার ইউনিট-২ হিসেবে চালানো হবে।