সোমবার সকাল ১০টার দিকে শিশু দুটির বড় ভাই ইবনে ইসায়েত শাফিরের কাছে তুলে দেয় পুলিশ।
যমজ শিশুদের বড় ভাই ইবনে ইসায়েত শাফির জানান, কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলার ভাতরা গ্রামে তাদের বাড়ি। বাবা মাসুম ও মা মরিয়ম আক্তার মিনি। ৫ মাস আগে জমজ শিশু মাহিন ও নোহার বাবা মারা যান। এরপর মা অন্যত্র বিয়ে করে সেখানে সংসার করছেন। আর জমজ শিশু দুটি ঢাকার মুগদা থানার পূর্ব মানিকনগর ওয়াসা রোড এলাকায় তাদের ফুপু মনি বেগমের বাসায় থাকে। তারা মানিকনগর জামিয়া ইসলামিয়া জহির উদ্দীন আহম্মেদ মাদরাসায় লেখাপড়া করে।
.png)
আব্দুল্লাহ মাহিন ও আব্দুল্লাহ নোহা জানায়, কিছুদিন আগে ওই মাদরাসা থেকে তারাা বেরিয়ে ঢাকা কমলাপুর রেলস্টেশনে ট্রেনে চেপে গত রোববার ভোরে জয়পুরহাট স্টেশনে নেমে ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় সান্তাহার রেলওয়ে থানার এসআই মাজেদ ও রেজাউল তাদের দেখতে পান। জিজ্ঞাসাবাদ তারা গন্তব্য বলতে না পারায় ওই দুজন শিশুকে সান্তাহার রেলওয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়। এরপর তাদের কাছে থাকা মাদরাসার পরিচয়পত্র থেকে ফোন নম্বর সংগ্রহ করে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে রেলওয়ে পুলিশ। তারপর শিশুদের স্বজন সান্তাহার আসার পর ফিরিয়ে দেয়া হয়।
সান্তাহার রেলওয়ে থানার ওসি মো. মোক্তার হোসেন জানান, গত সোমবার সকাল ১০ টার দিকে শিশুদের বড় ভাই ইবনে ইসাতে শাফিরের কাছে যমজ ভাই মাদরাসা ছাত্র আব্দুল্লাহ মাহিন ও আব্দুল্লাহ নোহাকে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা তাদের বাসার উদ্দেশে চলে গেছেন।