বুধবার বিকেলে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের আউলিয়ার ঘাটে নিখোঁজ হওয়া ঐ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। ভুপেন্দ্রনার্থ রায় ওরফে পানিয়া জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের ছত্রশিকারপুর হাতিডুবা গ্রামের মদন চন্দ্রের ছেলে।
জানা যায়, ভূপেন তার স্ত্রী রুপালী রানী ও ছোট ছেলে দিপুকে নিয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাড়ি থেকে বের হয়ে বদেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া পূজায় অংশ গ্রহণ করতে যান। এ সময় তারা মাড়েয়ার আউলিয়ার ঘাটে একটি নৌকাতে উঠে মন্দির যাচ্ছিলেন। নদী পার হওয়ার সময় ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে নদীর মাঝে গেলে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে নৌকাটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় ভূপেনের স্ত্রী রুপালীসহ ৬৯ জনের লাশ করা হয়। তবে ভূপেন ও সরেন রায়সহ তিনজন নিখোঁজ থাকে।
.png)
বুধবার আউলিয়ার ঘাট এলাকায় স্থানীয় শ্রমিকরা বালি উত্তোলন করার সময় হঠাৎ অর্ধগলিত লাশের গন্ধ পান। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি নদীর ঘাটে নিয়ে আসেন। পরে নিখোঁজ হওয়ার পরিবারের লোকজন ভূপনের পরনের কাপড় ও মুঠোফোন দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন।
মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু আনছার মো. রেজাউল করিম পানিয়ার মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর পরিবারকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে শনাক্ত করেন। পরে প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে এসেছে আইনি প্রক্রিয়া শেষে করতোয়া নদীর আউলিয়া ঘাট থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। এখন পর্যন্ত এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৭০ জন।
জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম বলেন, আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে স্বজনরা মৃতদেহটি শনাক্ত করেন। মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।