রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই (উত্তর) ইউপির বেহাইর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত আতিকুল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় এসআই হিসেবে কর্মরত রয়েছে। এ সময় ঐ মানসিক প্রতিবন্ধীকে আটক করে পুলিশ। হামলাকারী মানসিক প্রতিবন্ধী সাইদুল ইসলাম (৩১) সদর উপজেলার নাটাই (উত্তর) ইউপির বেহাইর গ্রামের বজলু মিয়া ও আনোয়ারা বেগমের ছেলে।
জানা যায়, রোববার বিকেলে সদর উপজেলার নাটাই (উত্তর) ইউপির বেহাইর গ্রামে মানসিক প্রতিবন্ধী সাইদুল ইসলাম তার বাবা-মাকে বন্দি করে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেন। স্থানীয় একজন বিকেল ৫টার দিকে ৯৯৯-এ ফোন করে প্রতিবন্ধী নিজের বাবা-মাকে ঘরে বন্দি করে আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন জানিয়ে সাহায্য চান। সদর থানা পুলিশ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে প্রতিবন্ধী সাইদুল ইসলামের বাবা বজলু মিয়া ও মা আনোয়ারা বেগমকে উদ্ধার করেন।
.png)
এক পর্যায়ে পুলিশ মানসিক প্রতিবন্ধী সাইদুল হাতে থাকা ছুরি দিয়ে এসআই আতিকুল্লাহকে পেট ও বুকের ডান পাশে এবং ডান হাতের কনুইয়ে আঘাত করেন। এতে আতিকুল্লাহ গুরুতর আহত হন। পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা রানা নুরুস শামস বলেন, আহত পুলিশ সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। ব্যান্ডেজ দিয়ে তার রক্ত বন্ধ করা হয়েছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার নেয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাকে ঢাকায় নেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
এসপি মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিকেল ৫টার দিকে ৯৯৯-এ একটি কল আসে। এক মানসিক প্রতিবন্ধী তার বাবা-মাকে আটকে রেখে ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলে জানানো হয়। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রতিবন্ধীর বাবা-মাকে উদ্ধার করে। এ সময় মানসিক প্রতিবন্ধী সাইদুলকে আটক করতে গেলে তার হাতে থাকা ছুরি দিয়ে পুলিশ সদস্য আতিকুল্লাহকে আঘাত করে। এসে আতিকুল্লাহ গুরুতর আহত হন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেয়ার চেষ্টা চলছে। ঐ মানসিক প্রতিবন্ধী পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।