বগুড়া শহরের তিনমাথার বেলাইল এলাকায় ওই তেঁতুল গাছের অবস্থান। দুই যুগ আগেও ওই এলাকায় তেমন কোনো বাড়িঘর ছিল না। তবে এখন অনেক বাড়ি নির্মাণ হয়েছে। আগের মতো নির্জন এলাকা আর নেই। এরপরেও ওই গাছকে ঘিরে প্রবীণদের মুখে শোনা যায় ভয়ানক নানা গল্প। সেই গল্প শুনেই অনেকের মনে আতঙ্ক বিরাজ করে এখনও।
স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, গভীর রাতে ওই তেঁতুল গাছের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ভয়ঙ্কর আওয়াজ শুনেছেন অনেকেই। এছাড়া ওই গাছে মানুষ আকৃতির তবে মানুষ নয়-এমন কিছুরও দেখা মেলে রাতে অথবা ভোররাতে। তবে অবশ্যই যিনি ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন তিনি একা ছিলেন। সেখানে একা পথচলাটা ভয়ের ছিল একটা সময়। এখন সেই ভয়টা আর না থাকলেও মনে আতঙ্ক অনেকেরই রয়ে গেছে।
.png)
বেলাইল এলাকার বাসিন্দা শায়লা শফিক ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, বাড়িতে আসা-যাওয়ার পথে যখন রাত হয়ে যায়, ওই সময় তেঁতুল গাছটি পার হতে গিয়ে কল্পনায় অনেক কিছুই আসে। আমি শুনেছি গাছটিতে জিন বসবাস করে। স্থানীয় অনেকেই ওই রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ভয়ঙ্কর কিছু দেখেছেন-এমনটা শোনা যায়। তবে আমি এখন পর্যন্ত ভয় পাওয়ার মতো কিছু দেখিনি সেখানে। এরপরেও মনে ভয়টা থেকে যায়, যখন একা গাছটির পাশ দিয়ে চলাচল করি।
জানতে চাইলে স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা আলতাফ হোসেন বলেন, তেঁতুল গাছে জিন থাকে এটা আমরা জানি। ওই গাছটিতেও জিন আছে। রাতে বা ভোররাতে ওই গাছতলা দিয়ে একা যাতায়াত করার সময় অনেকেই অদ্ভুত কিছু দেখে ভয় পেয়েছেন। আর সেখানে জিন থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু না। তবে এখন পর্যন্ত তেঁতুল গাছটির জিনের কবলে পড়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হননি।