ভুক্তভোগী আব্দুল জলিল জানান, বৈলশিং মৌজার হাল ১৮১নং খতিয়ানের ৮৭৩ দাগের ২৮ শতাংশ জমি নিয়ে আপন ভাই নজরুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম এবং আছর আলী গংদের সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিলো। এরই জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সংঘবদ্ধ হয়ে তাদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালান। এ সময় প্রতিহত করতে গিয়ে তিনি, তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৪২), ছেলে লালচাঁন হোসেন (২২) এবং মেয়ে পলি খাতুন আহত হন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরপরেও তারা সেখানে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এমতাবস্থায় তারা এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে প্রতিপক্ষের আছর আলী জানান, বিবদমান জমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত আপন ভাইদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। এরই জের ধরে আজকের এ ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় তার বড় ভাই নজরুল ইসলামও আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অতিদ্রুত এর একটা সমাধান হওয়া দরকার।
.png)
মান্দা থানার ওসি মোজাম্মেল হক কাজী বলেন, ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।