শনিবার রাত ২টার দিকে উপজেলার শিকারমঙ্গল ইউনিয়নের মৃধাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত ডাকাতদের উদ্ধার করে প্রথমে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেছে পুলিশ। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ডাকাতরা হলেন- বরিশাল মুলাদি উপজেলার টুমচর বাটামারা এলাকার তৈয়ব আলী হাওলারের ছেলে দাদন হাওলাদার ও একই এলাকার মোতালেব হাওলাদারের ছেলে সোহরাব হাওলাদার।
.png)
জানা যায়, শনিবার রাত ২টার দিকে শিকারমঙ্গল ইউনিয়নের মৃধাকান্দি এলাকার সেকান্দার হাওলাদারের বাড়িতে ১০-১৫ জনের একদল মুখোশ পরা ডাকাত ঘরে ঢুকে। তারা ঘরের লোকেদের জিম্মি করে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল। বিষয়টি স্থানীয়রা টের পেয়ে ডাকাত সন্দেহে দাদন হাওলাদার ও সোহরাব হাওলাদারকে আটক করে।
এ সময় উত্তেজিত জনতা তাদের গণপিটুনি দিয়ে দুইজনের চোখ উপড়ে ফেলে। পরে পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই ডাকাতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. সাইদুল ইসলাম বলেন, দুইজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছিল। তাদের দুইজনের চোখেই গভীর ক্ষত রয়েছে।
কালকিনি থানা ওসি নাজমুল হাসান জানান, ৯৯৯ ফোন পেয়ে আহত দুই ডাকাতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসার ভর্তি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, তারা ডাকাতির উদ্দেশ্যে এসেছিল। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।