দৌড়ে যান মায়ের কাছে। মা সন্তানকে চিনতে পেরে বুকে টেনে নেন। মাকে নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন ফরিদ। মুহূর্তে খবর ছড়িয়ে পড়ে গোটা গ্রামে। নারী-পুরুষ-শিশুরা ছুটে আসেন। সবাই চন্দনাকে দেখে অবাক হন। কথা বলতে না পারলেও চোখের ভাষা দিয়ে কাছে টেনে নেন প্রতিবেশী-স্বজনদের। কেও কেও চন্দনাকে ফিরে পাওয়ার আনন্দে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
বৃদ্ধা চন্দনা খাতুন ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার ফুলহরি ইউনিয়নের দেবী নগর গ্রামের মৃত মজিবর শেখের স্ত্রী।
বাকপ্রতিবন্ধী চান্দনা খাতুন মাথা নেড়ে জবাব দেন, খুব ভালো আছেন। হাত নেড়ে জানান, আর বাড়ি ছেড়ে যাবেন না।
.png)
বৃদ্ধা চন্দনার ছেলে ফরিদ শেখ বলেন, যাদের মা-বাবা আছে তারা বুঝতে পারেন। এতদিন সেই সুখ-আনন্দ থেকে বঞ্চিত ছিলাম, বুকে কষ্ট চেপে ধরেছিলাম। এখন অনেক হালকা লাগছে। মনে হচ্ছে সব কষ্ট নেমে গেছে।
মেয়ে ঝর্ণা খাতুন বলেন, মায়ের ফেরার খবরে গ্রামবাসী একনজর দেখতে ভিড় করেন ভাইয়ের বাড়িতে।