তাপমাত্রা ১২-১৪ ডিগ্রি সেলিসিয়াসের ঘরে। তীব্র শীত, ঘন কুয়াশা আর কনকনে হিমশীতল ঠান্ডা বাতাসে বিপর্যস্ত কেন্দুয়া উপজেলার শ্রমজীবী মানুষ। টানা কয়েকদিন রোদের দেখা না মেলায় কনকনে শীতে নাজুক অবস্থায় দিনযাপন করছে সেখানকার লোকজন।
শনিবার সরেজমিন দেখা যায়, সারাদিন হিমশীতল বাতাসের সঙ্গে তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কেন্দুয়ার জনজীবন। কনকনে বাতাসে বিশেষ কর নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষদের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। এর ফলে বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও ক্ষেতমজুরসহ শ্রমজীবী মানুষ। মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুগুলো শীতে কাহিল হয়ে পড়েছে।
.png)
নিম্ন আয়ের লোকজন জানান, তীব্র কুয়াশা আর শীতের কারণে মানুষ ঘরের বাইরে কম বের হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ও অফিসগামী মানুষ ছাড়া বাইরে তেমন লোকজনের আনাগোনা নেই।
অটোরিকশাচালক কাজল মিয়া বলেন, শীতের তীব্রতা বেশি ও অধিকাংশ সময়েই কুয়াশা থাকছে। এ কারণে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় কেউ বের হচ্ছে না। দিনের অনেকটা সময় যাত্রী অভাবে বসে থাকতে হচ্ছে। সংসার চালাতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
নেত্রকোণার আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবারের চেয়ে শনিবার তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে এসেছে। আজ সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের আর্দ্রতা ৯১ শতাংশ। অথচ গত শুক্রবার নেত্রকোণা জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৭ শতাংশ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম মিয়া বলেন, শীতবস্ত্রের যা বরাদ্দ এসেছিল যা এরইমধ্যে বিতরণ কার্য শুরু করা হয়েছে। নতুন বছরের শুরুতেই হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অনেকে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত বিবারণের চেষ্টা করছেন।